কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তার সহজ উপায়

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে কি আপনি চিন্তিত ? বা ভাবছেন কিভাবে ঘরে বসে সহজে ইনকাম করবেন, তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য হবে বেস্ট অপশন। বর্তমানে ফ্রিতে টাকা ইনকামের অনেকগুলো অপশন রয়েছে সেগুলো ভালোভাবে বিশ্লেষণ করলে

কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়

আপনারা অবশ্যই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কি বুঝতে পারছেন না কিভাবে শুরু করবেন বা কোন ইনভেস্ট ছাড়া কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করবেন, তাহলে আজকের  আর্টিকেলটি পড়ে আপনি খুবই উপকৃত হবেন এবং আশা করা যায় আপনি খুবই ভালো একটি ফলাফল পাবেন।

পেজ সুচিপত্রঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তার সহজ উপায় 

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তার সহজ উপায় 

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন তাহলে আর্টিকেলটি পড়ে আপনি অনেক উপকৃত হবেন। সাধারণত আমরা অল্প বিনিয়োগে বা কোন বিনিয়োগ ছাড়াই নিজের সময় দক্ষতা ব্যবহার করে অনলাইনে অথবা অনলাইনে যেভাবে টাকা ইনকাম করে থাকি  ফ্রি টাকা ইনকাম বলতে তাকেই বোঝায়। বর্তমানে আধুনিক যুগে যদি আপনার হাতে থাকে একটি মোবাইল এবং তাতে থাকে যদি ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে খুব 
কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়
সহজে আপনি ঘরে বসে কোন টাকা বিনিয়োগ না করেই খুব সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।এর জন্য সবার আগে দরকার আপনার ধৈর্য এবং পরিশ্রম করার ইচ্ছা। মানুষ ইচ্ছা শক্তির মাধ্যমে সবকিছু সম্ভব করতে পারে, আপনার যদি চান তাহলে আপনার দ্বারা খুব সহজে ঘরে বসে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। 

অনলাইনে এবং অফলাইনে দুইভাবেই খুব সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ রয়েছে যেখানে ছোট ছোট কাজ করে বা সার্ভিস করলে টাকা ইনকাম করা যায়। Fiver, Upwork, Freelancer-এ অ্যাকাউন্ট খুলে বিনা খরচে কাজ 
শুরু করা যায় এবং বিভিন্ন  ধরনের লেখালেখি, ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। এছাড়া ইউটিউবে ভিডিও বানানো বা ফেসবুকে রিলস ভিডিও বানানো বা টিক টক এ ভিডিও বানানোর মাধ্যমেও বর্তমানে টাকা ইনকাম করা যায়। 

আপনার মধ্যে যদি থাকে লেখালেখি করার দক্ষতা তাহলে আপনার খুব সহজে ব্লগার ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে লেখালেখি করতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে গুগল এডসেন্স হতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়া রেফার অথবা ক্যাশব্যাক অ্যাপ এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় এক্ষেত্রে অনেকে মোবাইল ব্যবহার করে কোন অ্যাপ এ রেফার করলে অথবা কেনাকাটা করলে ছোট অংকের হলো ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়।

ঘরে বসে সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম

বর্তমানে আধুনিক যুগে ঘরে বসে আয় করা কোন অসম্ভব কিংবা কল্পনা নয় কেননা আজকের পৃথিবী পুরোটাই ইন্টারনেট কেন্দ্রিক এবং ইন্টারনেটের যুগে ঘরে বসে খুব সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় যদি আপনার জানা থাকে সঠিক উপায় এবং যদি আপনার থাকে ধৈর্য। বর্তমানে অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে যেখানে আপনি কোনো বিনিয়োগ না করে খুব সহজেই  টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোম এ ব্যাপারটার সাথে আমরা খুবই পরিচিত। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমানে ঘরে বসেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব এজন্য অবশ্যই আপনার থাকতে হবে দক্ষতা। ধৈর্য ধরে যদি আপনি কাজ করতে পারেন তাহলে অবশ্যই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

ঘরে বসে টাকা ইনকামের অনেকগুলো উপায় রয়েছে যেমন আপনি ছোটখাটো কোন ব্যবসা করে এবং সেই ব্যবসা ফেসবুকে মার্কেটিং করে বা ইউটিউবে মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে অফলাইনে অথবা অনলাইনে দুইভাবে টিউশনি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন তাছাড়া অনলাইনে অনেক ধরনের প্লাটফর্ম আছে যেখানে ফ্রিতে একাউন্ট খুলে কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়। যদি আপনার মধ্যে থাকে প্রবল ইচ্ছা শক্তি তাহলে আপনার দ্বারা অবশ্যই টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইনের মাধ্যমে ফ্রি টাকা ইনকাম

অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় বলতে আমরা বুঝে থাকি কোন জায়গায় টাকা বিনিয়োগ না করে নিজের পরিশ্রম এবং সময় কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে টাকা ইনকাম করা। বর্তমানে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে খুব সহজেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা অনলাইনের মাধ্যমে টাকা ইনকামের অনেকগুলো পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করব।

বর্তমানে অনেক ধরনের আন্তর্জাতিক ও দেশিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা অ্যাপ রিভিউ, ভিডিও দেখা বা বিজ্ঞাপন ক্লিক করা এই ধরনের ছোটখাটর টাস্ক দেয় এবং টাস্ক কমপ্লিট হলে তারা পেমেন্ট করে। আবার আমরা খুব সহজে মোবাইল অ্যাপ থেকে বিভিন্ন ধরনের রিওয়ার্ড অ্যাপ প্রতিদিন গেম খেলা, কুইজ দেখা, বিজ্ঞাপন দেখা এসব দেখার মাধ্যমে কয়েন দেয় এবং কয়েন নির্দিষ্ট পরিমাণে হলে ক্যাশ আউট করা যায়। এটা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই সহজ একটি উপায় টাকা ইনকাম করার।

আবার আমরা ইউটিউবে এ ভিডিও দেখার সময় যে অ্যাড গুলো দেখে থাকি তা দেখার মাধ্যমে অল্প পরিসরে টাকা ইনকাম করতে পারবো। আমরা চাইলেই ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে আস্তে আস্তে ফলোয়ার বাড়িয়েও টাকা ইনকাম করতে পারবো। আপনি আপনার সৃজনশীল দক্ষতাকে কাজে লাগে বিভিন্ন ধরনের ক্রাফটের জিনিসপত্র বা আর্টের জিনিসপত্র জিপসামের জিনিসপত্র (যেমনঃ ফুলদানি, ট্রে , বিভিন্ন ধরনের বাটি ,ঘর সাজানোর সামগ্রী ) , হোমমেড খাবার (যেমনঃ আচার, নাড়ু সন্দেশ মিষ্টান্ন জাতীয়, খাবার বা বিভিন্ন ধরনের কম্বো খাবার, ফাস্টফুড) ইত্যাদি তৈরি করে তা ফেসবুক পেজে পোস্ট করার মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন। 

এভাবে ঘরে বসেই  অনলাইন বিজনেসের মাধ্যমে খুব সহজে টাকা ইনকাম করা যায়। এবং নিজে স্বাবলম্বী হয়ে বেকারত্ব দূর করা যায় । এরকম আরো অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করা সম্ভব। অনলাইনে টাকা ইনকাম করা সহজ কিন্তু সেটা করতে হলে অবশ্যই আপনার থাকতে হবে ধৈর্য এবং সঠিক প্ল্যাটফর্ম বাছাইয়ের উপর নির্ভর করে আপনি কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই অবশ্যই একটি সঠিক প্ল্যাটফর্ম বেছে নিন আপনার অনলাইনে টাকা ইনকামের জন্য। 

অনলাইনে টিউশনি করে টাকা ইনকাম

বর্তমানে আধুনিক যুগে অনলাইনে টিউশনি করে টাকা ইনকাম একটি জনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতি। বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী গৃহিণী এবং চাকরিজীবী রয়েছেন তাদের জন্য ঘরে বসে আয় করার এটি একটি চমৎকার উপায়। যদি আপনার হাতে থাকে একটি মোবাইল ফোন এবং তাতে থাকে যদি ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে খুব সহজে আপনি ঘরে বসে টিউশনি করতে পারবেন।অনলাইনে টিউশনি করার জন্য প্রথমে আপনাকে কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করতে হবে। 

প্রথমত আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি কোন কোন বিষয় দক্ষ। যেমনঃ গণিত, বাংলা, বিজ্ঞান, ইংরেজি, আইসিটি, আরবি ,কোরআন শিক্ষা ইত্যাদি নির্দিষ্ট বিষয়। আবার আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন বা গ্রামার বা বিভিন্ন স্কিল ভিত্তিক বিষয় অনলাইনে পড়াতে পারেন। এককথায় যে বিষয়ে আপনি ভালো জানেন বা আপনি দক্ষ সেই বিষয়ে আপনি অনলাইনে টিউশনি শুরু করে ভালো একটি পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
বাংলাদেশে অনলাইনে টিউশনি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। যেমনঃ Tutoria, Caretutors, Shikho Tutor ইত্যাদি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে Tutor.com, Udemy, Chegg এর মত ওয়েবসাইটেও কাজ করা যায়। এসব প্লাটফর্মে একটি প্রোফাইল খুলে নিজের যোগ্যতা অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা বিষয়ে উল্লেখ করলে খুব সহজে শিক্ষার্থী খুঁজে পাওয়া যায় এবং অনলাইনে টিউশনি শুরু করা যায়। এছাড়া ফেসবুক অনলাইনে টিউশনি করার জন্য একটি অন্যতম বড় মাধ্যম। 

আপনি আপনার ফেসবুক পেজে খুব সহজে লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে অনলাইনে টিউশনি করতে পারবেন। এছাড়া ফেসবুক পেজে শিক্ষনীয় ভিডিও আপলোড করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন।বর্তমানে অনেক শিক্ষক এখন জুম, গুগল মিট, স্কাইপের মধ্যমে সরাসরি লাইভ ক্লাস নিয়ে থাকেন। অনলাইনে টিউশনি করার জন্য কিছু মৌলিক জিনিসের দরকার হয়। যেমনঃ একটি স্মারটফোন বা ল্যাপটপ, ইন্টারনেট সংযোগ, মাইক্রোফন্ট ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ ইত্যাদি। এছাড়াও একজন টিউটরের ক্লাস নেওয়ার দক্ষতা থাকতে হবে । শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে পরিষ্কারভাবে বোঝানো ও সময়মতো ক্লাস নোয়া এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন টিউশনির ক্ষেত্রে। 

অনলাইনে টিউশনের ক্ষেত্রে আয়ের পরিমাণটা নির্ভর করে যে আপনি কোন বিষয়ে পড়াচ্ছেন বা আপনার সেই বিষয়ে অভিজ্ঞতা কেমন এবং শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কেমন। সাধারণভাবে প্রতি ঘন্টায় ৩০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি আয় করা সম্ভব শিক্ষার্থী প্রতি। বিশেষ করে বিদেশী শিক্ষার্থী পড়ালে আয় আরো বেশি হয়। যদি নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় দিয়ে থাকেন মাসে তাহলে খুব ভালো একটি মানে টাকা ইনকাম করা যায় অনলাইনে টিউশনি করার মাধ্যমে। অনলাইনে টিউশনি শুধু আয়ের মাধ্যম নয় এটি নিজের জ্ঞান সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার একটি সম্মানজনক পেশা। তাই ঘরে বসে না থেকে অনলাইনে টিউশনের মাধ্যমে নিজের জ্ঞান সবার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিন এবং খুব সহজে টাকা ইনকাম করুন। 

ড্রপ শিপিং করে অনলাইনে টাকা ইনকাম

ড্রপ শিপিং করে অনলাইনে টাকা ইনকাম বর্তমানে সারা বিশ্বে খুবই জনপ্রিয় একটি ব্যবসায়িক পদ্ধতি। এই পদ্ধতি সবচেয়ে বড় সুবিধা হল নিজের পণ্য স্টক রাখতে হয় না এবং এই পদ্ধতিতে অল্প পুঁজি বা কখনো শূন্য পুঁজি দিয়েও ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। সাধারণত আপনি একজন মধ্যস্থানান্তকারী  হিসেবে কাজ করবেন। এই ক্ষেত্রে  গ্রাহকের কাছ থেকে অর্ডার নিবেন এবং সেই একই অর্ডার সরাসরি সরবরাহকারীর কাছে পাঠাবেন। সরবরাহকারী পণ্যটি গ্রাহকের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিবে। 

ড্রপ শিপিং শুরু করতে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি অনলাইন প্লাটফর্ম নির্বাচন করতে হবে। এটা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম হতে পারে, যেমনঃ ফেসবুক পেজ, ফেসবুক সোপ, ইন্সট্রাগ্রাম, ইউটিউব অথবা নিজস্ব ওয়েবসাইট। নতুনদের জন্য ফেসবুক পেজ বা গ্রুপ দিয়ে ড্রপ শিপিং শুরু করা হচ্ছে সবচেয়ে ভালো একটি মাধ্যম। এর পরের ধাপে আপনাকে সর্বপ্রথম একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির পণ্য বাছাই করতে হবে, যেমনঃ গার্মেন্টস ফ্যাশন আইটেম, কসমেটিকস, গেজেট, ঘরোয়া পণ্য, কিচেন আইটেম, হ্যান্ডম্যাড  জিনিসপত্র বা বিভিন্ন ক্রাফটের জিনিসপত্র ইত্যাদি। আপনাকে অবশ্যই পণ্য নির্বাচনের সময় বাজারের চাহিদা দাম এবং লাভের পরিমাণ বিবেচনা করা করে কাজ করতে হবে।   

পরবর্তী ধাপে আপনাকে বিশ্বস্ত সরবরাহকারী খুঁজে বের করতে হবে। বাংলাদেশের অনেক পাইকারি বিক্রেতা এবং অনলাইন হোলসেলার আছে যারা ড্রপ শিপিং সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়াও Daraz, Alibaba, AliExpress- এর মত প্ল্যাটফর্ম থেকে সরবরাহকারী বাছাই করা যায়। এবং সরবরাহকারীর পণ্যের মান ডেলিভারির সময় রিটার্ন পলিসি এবং আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য আগে থেকে জেনে নেওয়া উচিত।

ড্রপ শিপিং এর মূল কাজ হলো মার্কেটিং ফেসবুক পোস্ট লাইভ ভিডিও অথবা ফেসবুক অ্যাড এর মাধ্যমে পণের প্রচার চালাতে পারেন এছাড়াও ইউটিউবে ভিডিও এবং এডের মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্যের মার্কেটিং করে থাকতে পারেন। এই মার্কেটিং করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার দরকার আকর্ষণীয় ছবি এবং ভিডিও পরিষ্কার বর্ণনা এবং যুক্তিসঙ্গত দাম দিলে কেতারা আগ্রহ বাড়বে এবং আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনে নিবে। ক্রেতার কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করবেন এবং সরবরাহকারী কে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবেন এর বাইরে যা থাকবে তাই আপনার লাভ।

এই ড্রপ শিপিং ব্যবসায় সফল হতে হলে আপনাকে সব সময় গ্রাহক সেবার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সব সময় গ্রাহকদের এসএমএসের দ্রুত রিপ্লাই দিতে হবে অর্ডার আপডেট জানানো এবং সমস্যা হলে সমাধান করা এসব বিষয়ে গ্রাহকদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে। শুরুতে লাভ কম হলেও ধৈর্য ধরে কাজ করতে থাকলে ধীরে ধীরে আপনার আয়ের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। আর এই ব্যবসায় তুলনামূলক ঝুঁকি কম থাকায় আপনি খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  

ব্লগিং করে সহজে টাকা ইনকাম

বর্তমান ডিজিটাল যুগের ঘরে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার একটি জনপ্রিয় ও কার্যকরী মাধ্যম হলো ব্লগিং করা। যাদের মধ্যে রয়েছে লেখালেখি করার দক্ষতা বা যারা লেখালেখি করতে ভালোবাসেন কোন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বা আগ্রহ আছে এমন যে কেউ ইচ্ছা করলে ব্লগিং শুরু করতে পারেন এবং ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে একটি ভালো মানের আয় করতে পারেন এবং ঘরে বসে আয় করার জন্য এটি খুবই একটি সহজ পদ্ধতি।

ব্লগে বলতে বোঝায় একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে বা ব্লগার এ নির্দিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত তথ্যভিত্তিক আর্টিকেল প্রকাশ করা। যেমনঃ অনলাইন ইনকাম, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি, ইসলামিক তথ্য, রান্না, প্রবাসভ্রমন গাইড  সমকালীন তথ্য ইত্যাদি। আপনার যে বিষয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে আপনার সেই বিষয়ে নির্ধারণ করে ব্লগ শুরু করতে পারেন। ব্লগিং শুরু করার প্রথম ধাপ হল একটি ব্লগিং প্লাটফর্ম নির্বাচন করা নতুনদের জন্য ব্লগার ডট কম বা ওয়ার্ডপ্রেস.কম সহজ ও ফ্রি চাইলে পরে নিজস্ব ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে প্রফেশনাল ভাবে কাজ শুরু করতে পারেন। এরপর একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করে ব্লগ তৈরি করতে হবে এবং নিয়মিত মানসম্মত সুন্দর আর্টিকেল প্রকাশ করতে হবে। 

ব্লগিংয়ে আয়ের মূল চাবিকাঠি হল ভাল কনটেন্ট লেখা। আপনার লেখা যত সুন্দর হবে যত পাঠকদের সমস্যা সমাধান করতে পারবে এবং সহজ ভাষার হবে আপনি তত তাড়াতাড়ি ইনকাম শুরু করতে পারবেন। গুগলে র‍্যাঙ্ক পেতে হলে অবশ্যই আপনার লেখা SEO- বান্ধব হতে হবে। আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং আকর্ষণীয় শিরোনাম এবং পরিষ্কার ভাষায় কনটেন্ট লিখে আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে পাঠকদের কাছে।

ব্লগ থেকে বিভিন্নভাবে আয় করা যায়। যেমনঃ ব্লগে ভিজিটর বাড়লে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন দেখিয়া আয় করা যায়, আবার বিভিন্ন পণ্যের লিংক শেয়ার করে বিক্রির কমিশন পাওয়া যায় এভাবে এফিলেট মার্কেটিং এর মাধ্যমে ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায় অনেক সময় জনপ্রিয় ব্লগ হলে কোম্পানি আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে টাকা দিবে । ব্লগিং শুরু করার সাথে সাথেই বড় অংকের টাকা পাওয়া যায় না আপনাকে ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে এবং পরিশ্রম করে ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে এইভাবে নিয়মিত আর্টিকেল লিখলে অবশ্যই আপনি সফলতা অর্জন করবেন এবং ভাল মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

ফেসবুক পেজ থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম

বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে ফেসবুক পেজ থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করা এখন আর কল্পনার বিষয় নয় বরং এটি একটি বাস্তব বিষয়। আপনার যদি থাকে সঠিক পরিকল্পনা ও ধৈর্য তাহলে আপনি ঘরে বসে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে খুব সহজে নিয়মিত আয় করতে পারবেন।
কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়
ফেসবুক পেজ থেকে আয় করার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে আপনি ফেসবুক পেজ থেকে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। আজকে আর্টিকেলটি পড়ে আপনি এ বিষয়ে খুব ভালো একটি জ্ঞান পাবেন।

প্রথমে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করতে হবে যেমনঃ অনলাইন ইনকাম, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি, ইসলামিক তথ্য, রান্না, প্রবাসভ্রমন গাইড  সমকালীন তথ্য মোটিভেশনাল কন্টেন্ট ইত্যাদি। যেসকল বিষয় আপনি ভালো জানেন বা আগ্রহ আছে সেটি বেছে নিলে কন্টেন্ট তৈরি করা খুব সহজ হয়ে যাবে। এরপর একটি আকর্ষণীয় নাম দিয়ে ফেসবুক ফুল পেজ খুলে নিয়মিত মানসম্মত কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে। ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হল ফেসবুক ইন স্ট্রিম অ্যাডস। আপনার পেইজে যদি নিয়মিত ভিডিও আপলোড থাকে এবং ফেসবুকে মনিটাইজেশনের জন্য যদি নির্দিষ্ট শর্তপুরণ হয়ে থাকে তাহলে ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখে খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি ফেসবুক পেজে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জিনিসপত্রের প্রমোশনাল ভিডিও করে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি চাইলে ফেসবুকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এক্ষেত্রে অনলাইন শপ বা সার্ভিসের প্রোডাক্ট লিংক পেজে শেয়ার করে কমিশন আয় করা যায়। কেউ আপনার শেয়ার করা লিংক দিয়ে কিছু কিনলে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ একটি কমিশন পাবেন ।এভাবে খুব সহজে টাকা ফেসবুক পেজ ইনকাম করতে পারবেন।

বর্তমানে ফেসবুকে রিলস বা শর্ট ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করা যায়। এছাড়া আর একটি কার্যকর উপায় হচ্ছে নিজের সার্ভিস বা ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি। যেমনঃ অনলাইন কোর্স, ই-বুক, ডিজাইন সার্ভিস, ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস ইত্যাদি। আপনার পেজ যদি বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে থাকে তাহলে অবশ্যই কাস্টমার পাওয়া যাবে খুব সহজে।  এটি সম্পূর্ণ ফ্রি ইনকাম পদ্ধতি কারণ এখানে কোন বিনিয়োগ প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ধৈর্য ধারণ করা এবং নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাওয়া। প্রথমে ইনকাম কম হলেও সময় সাথে সাথে পেজ বড় হলে আয় বাড়বে তাই অন্যকে কপি না করে নিজের ভাষায় ইউনিক কনটেন্ট দিন এবং ফেসবুকে নিয়ম মেনে চলুন দেখবেন খুব সহজে টাকা ইনকাম হচ্ছে। 

ফ্রিল্যান্সিং করে ফি টাকা ইনকাম

অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন কাজ করে দেশে-বিদেশি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে টাকা আয় করার মাধ্যম কে আমরা সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং বলে থাকি। ফ্রিল্যান্সিং করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটা ঘরে বসে খুব সহজে করা যায় এবং নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়।
অনেকেই মনে করে ফ্রিল্যান্সিং মানে ফ্রি টাকা ইনকাম কিন্তু আসলে আমরা কোন ইনভেস্ট ছাড়াই নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে আয় করাকেই  সাধারণত ফ্রি টাকা ইনকাম বলতে পারি। অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আপনার টাকা লাগবে না ঠিকই কিন্তু লাগবে আপনার সময় শিখার আগ্রহ আর ধৈর্য এবং আপনার পরিশ্রম। যদি ধৈর্য ধরে কাজ করতে পারেন তাহলে অবশ্যই এই সেক্টরে আপনি সফলতা অর্জন করবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কাজের ধরন অনেক। যেমনঃ ডাটা এন্ট্রি ও কপি-পেস্ট কাজ, কনটেন্ট রাইটিং ও ব্লগ লেখা, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন (লোগো ,ব্যানার, পোস্ট ডিজাইন), ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট , ডিজিটাল মার্কেটিং, ফেসবুক পেজ ম্যানেজমেন্ট, ইউটিউব থাম্নেল ও স্কিপ লেখা ইউটিউব থাম্বনেইল ও স্ক্রিপ্ট লেখা। প্রথমে শুরুর দিকে সহজ কাজ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করাই ভালো।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করার জন্য কিছু জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেমনঃFiver, Freelancer, Upwork, PeoplePerHour ইত্যাদি। এছাড়া ফেসবুক গ্রুপ ও লিংক ডাউন থেকেও অনেক সময় ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায়। আপনার যদি থাকে একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ, একটি ইমেইল ও পেমেন্ট একাউন্ট এবং ফ্রিল্যান্সিং শিখার মানসিকতা তাহলে খুব সহজে আপনার ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বর্তমানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন এছাড়াও ইউটিউব ও ফ্রি অনলাইন কোর্স থেকেও সহজেই কাজ শেখা যায়। শুরুতে আপনার ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় হতে পারে কিন্তু অভিজ্ঞতা বাড়লে ধীরে ধীরে সেটি ৩০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বা তারও বেশি ইনকাম করা সম্ভব। বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন। তাই আগে দক্ষতা অর্জন করুন এবং ধৈর্য ধরে কাজ করতে থাকেন। মনে রাখবেন পরিশ্রম করলে অবশ্যই একদিন সফলতা অর্জন করবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সহজে ফ্রি টাকা ইনকাম

বর্তমানে অনলাইন আয়ের একটি জনপ্রিয় ও কার্যকরীর মাধ্যম হোলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম। এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে নিজস্ব কোন পণ্য তৈরি করতে হয় না আবার বড় ধরনের কোন বিনিয়োগ লাগে না। শুধুমাত্র অন্যের পণ্য বা সার্ভিসের প্রচার করে বিক্রি হলে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে মার্কেটিং হয়ে থাকে। তাই এই পদ্ধতিতে টাকা ইনকাম করা খুবই সহজ ও লাভবান।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল এমন একটি অনলাইন আয় পদ্ধতি যেখানে কোন কোম্পানি বা অনলাইন শপের পণ্য আপনাকে আপনার নিজস্ব লিঙ্কের মাধ্যমে প্রচার করতে হবে এবং কেউ যদি আপনার লিংকে ক্লিক কন পণ্যটি ক্রয় করে থাকে তাহলে সেই পণ্যের বিক্রির একটি নির্দিষ্ট শতাংশ আপনার কমিশন হিসেবে পেয়ে থাকবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি ভালো এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বেছে নিতে হবে। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে Daraz Affiliate Program, Amazon Associates, ClickBank, Digistore24 ইত্যাদি জনপ্রিয় যেখানে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করা যায়।

এরপর আপনাকে একটি মাধ্যম বেছে নিতে হবে যেমন ধরুন ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, ব্লগ ওয়েবসাইট, টিক টক, ইন্সট্রাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ইত্যাদি। আপনি চাইলে শুরুর দিকে একদম ফ্রিতে ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব দিয়ে শুরু করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সফল হতে হলে অবশ্যই আপনার মানসম্মত কনটেন্ট থাকতে হবে শুধু লিংক শেয়ার করলে মানুষ বিশ্বাস করবে না আপনার পণ্যের রিভিউ ব্যবহার পদ্ধতি উপকারিতা সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে মানুষকে খুব ভালোভাবে বোঝাতে হবে এবং ভিডিও হতে হবে খুবই পরিষ্কার যেন মানুষ তা বুঝে খুব সহজে পণ্য সম্পর্কে বুঝতে পারে এবং অর্ডার করে।

আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতেই পারে যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকায় বা ইনকাম করা যায় আসলে ইনকাম নির্ভর করে আপনার কনটেন্ট অডিয়েন্স এবং পরিশ্রমের উপর। আপনি যদি নিয়মিত কাজ করেন এবং ধৈর্য ধারণ করেন এবং মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করেন যা ক্রেতারা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবে তাহলে আপনি খুব সহজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং এই ফিল্ডে খুব সহজেই সফলতা অর্জন করবেন। তাই ভুয়া বা নিম্নমানের পণ্য প্রচার  করবেন না এতে আপনার ওপর ক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। সবসময় ক্রেতার উপকার হয় এমন পণ্য বেছে নিন এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জগতে রাজ করুন।

শেষ কথাঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তার সহজ উপায়

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা সম্পর্কে আজকে আর্টিকেলটিতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনি যদি উক্ত বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে খুব সহজে বুঝতে পারবেন কিভাবে খুব সহজেই ঘরে বসে অফলাইনে অথবা অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমানে আধুনিক যুগে টাকা ইনকাম করা খুবই সহজ যদি আপনার মধ্যে থাকে প্রবল ইচ্ছা শক্তি। আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমি বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি যেগুলোর মাধ্যমে ঘরে বসে খুব সহজেই কোন বিনিয়োগ ছাড়াই ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়।

উক্ত মাধ্যম গুলোর মধ্যে আমার কাছে মনে হয় আপনি যদি সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখে থাকেন তাহলে আপনি খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার দরকার ধৈর্য শক্তি যদি ধৈর্য ধরে প্রত্যেক দিন কাজ করতে থাকেন তাহলে অবশ্যই সফলতা পাবেন। তাই সরকারি চাকরির পেছনে না ঘুরে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন এবং অনলাইন থেকে ঘরে বসে খুব সহজে টাকা ইনকাম করুন।সব মিলিয়ে বলা যায় ওপরের বিষয়গুলো যদি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন কিভাবে ঘরে বসেই ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তাই সময় নষ্ট না করে কাজ করা শুরু করুন এবং সফলতা অর্জন করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url