গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে

গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে এই ধরনের প্রশ্ন আমরা সচরাচর গুগল এ সার্চ করে থাকি। আমরা অনেকে আছি যাদের সময় মত বিয়ে হচ্ছে না তাই গুগল কে বিয়ে কবে হবে তা জানতে চাই। বিয়ে হল ভাগ্য বা ঔসরিক পরিকল্পনার বিষয়।
গুগল-আমার-বিয়ে-কার-সাথে-হবে
আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমরা আমাদের বিয়ে কেন হচ্ছে না বা বিয়ে না হলে কি করা উচিত বা আমাদের বিয়ে কার সঙ্গে হবে বা বিয়ে কবে হবে তা সম্পর্কে আলোচনা করবো। আশা করা যায় আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি অনেক উপকৃত হবেন।

পেজ সুচিপত্রঃ গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে

গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো গুগল।  আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোন কিছু জানার হলে সর্বদা গুগলে সার্চ করে থাকি। এই ডিজিটাল যুগে গুগল ছাড়া যেন আমাদের চলে না। তেমনি আমরা অনেকেই আছি যাদের এখনো বিয়ে হয় নি বা হচ্ছে না, অনেক সময় আমরা কৌতুহল বসে গুগলে সার্চ করে থাকি যে গুগল আমার বিয়ে কবে হবে। আসলে এ প্রশ্নটি শুনতে অনেক মজার প্রশ্নটি শুনলেই বোঝা যায় যে মানুষের কত আগ্রহ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার কিন্তু বাস্তবতাটা হলো অনেক ভিন্ন গুগল কোন আসলে জ্যোতিষী নয় বা ভবিষ্যৎ দেখার যন্ত্র নয় যে গুগল আপনার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলে দিবে।

আমরা কোন কিছু জানার উদ্দেশ্যেই গুগলে সার্চ করে থাকি ঠিকই কিন্তু তার মানে এই নয় যে গুগল আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে হুবহু বলে দিবে। সাধারনত গুগল ইন্টারনেটে থাকা বিষয় আমাদের সামনে তুলে ধরে। আর বিয়ে হল ভাগ্য বা ঐশ্বরিক পরিকল্পনার বিষয়। কারো পক্ষেই বলা সম্ভব নয় যে ভাগ্যে কি রয়েছে। বিয়ে কখনো ভূগোলের উপর নির্ভর করে না বরং বিয়ে নির্ভর করে আপনার জীবন আপনার পরিবার সামাজিক অবস্থান ও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার উপর।

অনেকেই আছেন যারা জ্যোতিষ শাস্ত্রের ওপর বিশ্বাস করেন তারা মনে করেন যে জন্ম তারিখ নামের প্রথম অক্ষর বা রাশি লিখলে  হয়তো গুগল বলে দিবে ভবিষ্যতে জীবনসঙ্গী কেমন হবে। কিন্তু আসলে এ ধারণা ভুল কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয় যে আপনার ভবিষ্যতে কার সাথে বিয়ে হবে বা আপনার জীবন সঙ্গীর মন মানসিকতা কেমন হবে। বিয়ে হল একটি পবিত্র বন্ধন আর বিয়ে নির্ভর করে অনেক কিছুর ওপর। 

একটি বিয়ে মানে দুটি পরিবারের মিলন তাই বিয়ে সর্বপ্রথম নির্ভর করে আপনার পারিবারিক সিদ্ধান্তের ওপর, এরপর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ আপনার নিজস্ব পছন্দ মন মানসিকতার ওপর, আপনার সমাজিক অবস্থান, আর সবচেয়ে বড় কথা বিয়ে নির্ভর করে  আল্লাহতালার পরিকল্পনার ওপর। আমাদের জন্ম মৃত্যু বিয়ে সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার হাতে লেখা। তাই ভাগ্যে যখন বিয়ে লেখা আছে তখন অবশ্যই বিয়ে হবে এটা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার কোন কারণ নেই।

আজ আপনি কাউকে চেনেন না বা জানেন না কিন্তু ভবিষ্যতে সেই হতে পারে আপনার জীবন সঙ্গী আবার অনেক সময় আপনার কাছের পরিচিত কেউই হয়ে উঠবে আপনার জীবন সঙ্গী। এই বিষয় গুলো কোনভাবেই গুগলে সার্চ করে আপনি কখনই জানতে পারবেন না। তবে আপনি গুগল থেকে অনেক কিছু পরামর্শ নিতে পারেন। এই যেমন ধরুন কিভাবে একটি সম্পর্ককে সুন্দরভাবে টিকিয়ে রাখা যায়, কিভাবে দাম্পত্য জীবন সুখী করা যায় বা বিয়ে করতে হলে কি কি বিষয় জানা দরকার ইত্যাদি সম্পর্কে আপনারা খুব ভালো পরামর্শ পাবেন। 

এই ধরনের পরামর্শ গুলো আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে সাথে সাহায্য করবে যে বিয়ের পরের জীবন কেমন হবে আপনার জন্য। তাই বিয়ের পরের জীবন কেমন হবে বা গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে, আমার বিয়ে কবে হবে আদৌ আমার বিয়ে হবে কিনা এই ধরনের প্রশ্ন গুগলে না করে সময়ের সাথে সাথে বাস্তব জীবনে নিজেই লিখে যান। অযথা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উল্টাপাল্টা চিন্তা ভাবনা না করে নিজেকে সুন্দর আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন নিজের পরিবারের যত্ন নিন নিজেকে সুস্থ রাখুন এবং সমাজের কল্যাণ করুন। 

সাত দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল

আমাদের সকলের জীবনের বিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। মহান আল্লাহ তায়ালা নারী-পুরুষ সবার জন্যই বিয়ে ফরজ করেছেন। যে সকল ছেলে মেয়েদের বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না বা ছেলেপক্ষ বা মেয়ে পক্ষ দেখতে আসে কিন্তু কোন এক কারণে ফিরে যাচ্ছে বিয়ে হচ্ছে না তারা চাইলে আমল শুরু করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে যে আমল কবুল হওয়া সম্পূর্ণ আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল নিয়ত, ধৈর্য, ঈমান ও তাকদীর হল এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বিয়ে একজন মুসলমানের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ কাজ। অনেক সময় কি হয় নিজের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বিয়েতে দেরি হয়, বিয়ের প্রস্তাব আসে না বা বিভিন্ন ধরনের বাধা সৃষ্টির ফলে বিয়ে ভেঙে যায় এ ধরনের অবস্থায় কখনো হতাশ হওয়া যাবে না বরং আল্লাহর দরবারে দোয়া ও আমলের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। আর আল্লাহর নিকটে দোয়া করার মাধ্যমে একজন আসল মুমিনের পরিচয় পাওয়া যায়। সর্বদা নিজের তাকদিরে বিশ্বাস রাখতে হবে। কথায় আছে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে সবই আল্লাহ তায়ালার হাতে। 

আমল শুরুর আগে খাঁটি মনে এই নিয়ত করুন-
" হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য এবং হালাল পথে সুন্দর একটি বিয়ের জন্য এই আমল করছি। তুমি আমার জন্য যা উত্তম, তা সহজ করে দাও।"

এই আমলটি ফজরের নামাজের পর অথবা এশার নামাজের পর করা সবচেয়ে উত্তম। আমলের শুরুতে প্রথমে ১১ বার দরুদ শরীফ পড়ুন, এরপর সূরা আল-ফাতিহা ১ বার, সূরা ইয়াসিন ১বার, সূরা আর-রহমান ১বার পড়ুন। এরপর ১০০ বার নিচের দোয়াটি পড়ুন-

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারনঃ রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির
অর্থঃ "হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।" (সূরা কাসাসঃ২৪)

এই দোয়াটি বিয়ে অথবা রিজিকের সাথে সম্পর্কিত এই দোয়াটি হযরত মুসা আলাই সাল্লাম পড়েছিলেন এবং এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে তার বিয়ের ব্যবস্থা হয়েছিল। সবশেষে আবার ১১ বার দরুদ শরীফ পড়ুন।
আমল শেষে বিশেষ দোয়া- " হে আল্লাহ! তুমি যদি মনে করো আমার জন্য এখন বিয়ে উত্তম, তবে সাত দিনের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করে দাও, যা আমার দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য কল্যাণকর।"

আমল শুরু করার পূর্বে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি যত্নবান হোন, হারাম কাজ ও হারাম সম্পর্ক থেকে দূরে থাকুন, বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়ুন প্রতিদিন রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে সিজদায় গিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন বিয়ের জন্য। নিজের আত্মাকে শুদ্ধ করুন প্রতিদিন কোরআন শরীফ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যদি আপনার তাকদিরে থাকে তাহলে অবশ্যই সাত দিনের মধ্যে আপনার বিয়ে হবে। 

ছেলে-মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল

ইসলাম ধর্মতে বিয়েকে ইবাদত হিসেবে ধরা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রী থাকা সত্ত্বেও বিয়েতে দেরি হচ্ছে বা বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না আবার অনেক ক্ষেত্রেই হয় যে বিয়ের সব কিছু প্রায় ঠিকঠাক কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে কোন
গুগল-আমার-বিয়ে-কার-সাথে-হবে
এক কারণে এ ধরনের অবস্থায় কখনোই ভেঙে পারা যাবে না আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা রেখে আমল ও দোয়া করলে ইনশাল্লাহ কল্যাণ হবে। মনে রাখবেন আল্লাহ তা'আলা আমাদের জন্য যা উপযুক্ত তাই দিয়ে থাকেন তাই ভাগ্যে যখন বিয়ে লেখা আছে তখন ঠিকই বিয়ে হবে।

সর্বপ্রথমে আপনাকে আগে নিয়ত ঠিক করতে হবে যে- বিয়ে যেন হারাম থেকে বাঁচার জন্য এবং দ্বীন পরিপূর্ণ করার উদ্দেশ্যে হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, " আল্লাহ যার জন্য যথেষ্ট , তার জন্যই তিনিই যথেষ্ট।" ( সুরা তালাকঃ৩)
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে নামাজ মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ফরজ কাজ। নামাজ মানুষের জীবনে বরকত বয়ে আনে। বিশেষ করে ফজর ও তাহাজ্জুদের নামাজ দোয়া কবুল হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। তাই প্রত্যেকদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে এবং আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে।

প্রত্যেকদিন ১১ বা ২১ বার (সূরা নূর আয়াত-৩২) পড়তে হবে- 

".....وَأَنكِحُوا الْأَيَامَىٰ مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ "
অর্থঃ তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিতদের বিয়ে দিয়ে দাও..... আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাব দূর করে দিবেন। ( সূরা নূরঃ৩২ )

প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার ইস্তেগফার পড়ুন। সম্পর্ক ও জীবনে জট খুলে দিতে ইস্তেগফার সাহায্য করে তাই আল্লাহর নিকট আমল করার জন্য বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়ুন। তারপর ১০০ বার দরুদ শরিফ পরুন। কোন দোয়া শুরু ও শেষে দরুদ শরীফ পড়লে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই দোয়াটি নিয়মিত পরুন-

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারনঃ রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির
অর্থঃ "হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।" (সূরা কাসাসঃ২৪)

মা বাবার দোয়া আমাদের জন্য অনেক বড় নেয়ামত তাই মা-বাবার সন্তুষ্টি অর্জনের করার জন্য দোয়া করা বিয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিসয়। তাই বাবা-মায়ের খেদমত করুন ও দোয়া চান ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তা'আলা আপনাদের সকল ইচ্ছা পূরণ করে দিবেন। তাড়াহুড়া না করে ধৈর্য ধরুন এবং হারাম সম্পর্ক থেকে বিরত থাকুন। সদকা দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের বিপদ দূর হয় এবং নেক উদ্দেশ্য পূরণ হয় তাই সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও সদকা দিন। ধৈর্য ধরুন নিশ্চয়ই আল্লাহতালা উত্তম পরিকল্পনাকারী। বিয়ের জন্য আমল করার পাশাপাশি আপনাকে নিজের উদ্যোগও নিতে হবে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে যদি নিয়মিত আমল করেন এবং ইবাদত পালন করেন তাহলে ইনশাল্লাহ দ্রুত ফলাফল পাবেন। 

বিয়ে না হলে কি করব

গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে ,আমার বিয়ে কবে হবে, বিয়ে না হলে কি করব এই ধরনের প্রশ্ন আমাদের মাথায় সচরাচর ঘুরে থাকে। সাধারণত বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে বা বিয়ে হচ্ছে না বা বিয়ে করতে ইচ্ছুক এই ধরনের ছেলে মেয়েদের মনে এ প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি আসে যে বিয়ে না হলে কি করব। আপনি যদি এ বিষয় নিয়ে খুবই চিন্তিত হয়ে থাকেন তাহলে আশা করা যায় আজকে আর্টিকেলটি পড়ে আপনি খুবই উপকৃত হবেন।

বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে বিয়েকে অনেক একটি বড় বিষয় হিসেবে ধরা হয়। সমাজ এবং পারিবারিক চাপের কারণে অনেক সময় আমাদের মনের ভিতর এই ধরনের চিন্তা জন্ম নেয় যে আমার কেন বিয়ে হচ্ছে না বা আমার বিয়ে না হলে আমি কি করবো এবং ছেলে মেয়েরা এই ধরনের চিন্তা ভাবনা থেকে একপর্যায়ে হতাশায় ভুগতে থাকে। বিয়ে এমন একটা বিষয় যা আমাদের হাতে থাকে না এটা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে। ভাগ্যে যদি লেখা থাকে তাহলে আপনার অবশ্যই বিয়ে হবে তাই এইসব বিষয়ে অযথা চিন্তাভাবনা করে হতাশায় না ভুগে নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিন।

নিজের পথে যত্ন নিতে সর্বপ্রথম আপনাকে নিজের ওপর দোষারোপ করা বন্ধ করতে হবে বিয়ে হওয়া বা না হওয়া কখনোই আপনার উপর নির্ভর করে না এটি অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। সময় পরিস্থিতি পারিবারিক সিদ্ধান্ত নিজস্ব মানসিক প্রস্তুতি এই সব ধরনের বিষয় লাগে একটি বিয়ের ক্ষেত্রে আর এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ কখনোই আমাদের মধ্যে থাকে না। তাই এই ধরনের চিন্তাভাবনা না করে নিজের জীবন করে প্রতিষ্ঠিত করে তুলুন। নিজের পড়াশোনা ক্যারিয়ার ব্যবসা বা দক্ষতা উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিন।

নিজেকে যদি আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে পারেন এবং সমাজে নিজের একটি নাম করতে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার ভেতরে আত্মবিশেষ এমনিতেই বেড়ে যাবে আত্মবিশ্বাসী মানুষকে কেউ কখনো ঠকাতে পারে না। নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা সর্বপ্রথম যত্ন নিয়েন নিয়মিত নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। শারীরিক ব্যায়াম করুন এতে আপনার শরীর এবং মন দুটি সুস্থ থাক... খাওয়া-দাওয়া ঠিক মতো করুন বিশ্রাম নিন যখন নিজেকে ভালবাসতে শিখবেন তখন দেখবেন আপনার জন্য সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।

এই পৃথিবীতে কখনোই সবাইকে খুশি করে চলা সম্ভব নয়। আপনি যত যাই করুন না কেন সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব না। আর বিয়ে কখনোই সামাজিক দুশ্চিন্তার বিষয় নয় বিয়ে করতে হলে সর্বপ্রথম নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় কারণ বিয়ে হল দুটি মানুষের মানসিকতার মিল বোঝাপড়া এবং দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়। তাই আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন বিয়ের জন্য তারপর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিন। আর বিয়ে কেন হচ্ছে না বিয়ে না করলে কি হবে আমার এই ধরনের চিন্তা ভাবনা না করে নিজেকে সময় দিন আল্লাহর দরবারে দোয়া করুন দেখবেন আল্লাহ তা'আলা আপনার মনের সকল ইচ্ছা পূরণ করবেন ইনশাআল্লাহ।

ইসলামিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ের গুরুত্ব

ইসলামিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ের গুরুত্ব অনেক এবং তাৎপর্যপূর্ণ। বিয়ে শুধু দুটি মানুষের মধ্যে সম্পর্কের মিলন অথবা দুইটি পরিবারের মিলন নয় বরং এটি হল একটি পবিত্র ইবাদত যা সবার জন্য ফরজ কাজ। বিয়ে হল সামাজিক মর্যাদাপূর্ণ একটি সম্পর্ক যা মানব জীবনকে স্বাভাবিক ও পূর্ণাঙ্গ করে তুলে। আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমরা ইসলামিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করে থাকবো। 

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ের গুরুত্ব

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়েকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আল-কুরআন ও হাদিসে বিয়ের প্রতি অনেক উৎসাহ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, " তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিতদের বিয়ে দাও। "  ( সূরা আন-নূরঃ৩২ ) 
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, "হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে।"  ( বুখারী ও মুসলিম )
বিয়ে হলো একটি পবিত্র বন্ধন হারাম কাজ থেকে বিরত থাকার প্রধান মাধ্যম হলো বিয়ে। তাই ইসলামের সর্বদা বিয়ে করার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

বিয়ে দৃষ্টি ও লজ্জা স্থানের হেফাজত করে এবং মানুষের চরিত্র রক্ষা করে থাকে। ইসলামিক শরীয়তে বলা হয় বিয়ে হল একটি সুন্নতে মুয়াক্কাদা; সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অযথা বিয়ে বিলম্ব করা নীরুতসাহিত। একমাত্র বিয়ের মাধ্যমেই নারী পুরুষ একে অপরের জন্য হালাল হয় একে অপরকে ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে তুলে। কুরআনে বলা হয়েছে, " তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। " ( সূরা আর-রুম ২১)
তাই নিজের দিনকে ধরে রাখতে এবং হারাম থেকে বিরত থাকতে অবশ্যই আমাদের বিয়ে করা উচিত। 

 সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ের গুরুত্ব

মানুষ সামাজিক জীব তাই সমাজে বসবাস করার জন্য আমাদের অনেক ধরনের নিয়ম নীতি মেনে চলতে হয়। সামাজিকভাবে বিয়ের গুরুত্ব অনেক বিয়ে সামাজিকভাবে একটি স্থিতিশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিবার হলো সমাজের মৌলিক একক এবং বিয়ে হল একটি পরিবারের সূচনা তাই সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিয়ের গুরুত্ব অনেক। বিয়ের মাধ্যমে নারী-পুরুষ পরিবারের দায়িত্ব নিতে শিখে, সন্তানদের লালন পালন ভরণপোষন পারস্পরিক সম্মান সহানুভূতি ইত্যাদি বিয়ের মাধ্যমে তৈরি হয়।

বিয়ে এমন একটি পবিত্র হালাল কাজ যা আমাদের সামাজিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়তা করে থাকে। অবৈধ সম্পর্ক, পারিবারিক বিশৃঙ্খলা, সামাজিক অপরাধ নৈতিক অবক্ষয় সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ইত্যাদি দূর করতে বিয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। একজন অপরিপক্ক মানুষ বিয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব নিতে শিখে বিয়ের পর দায়িত্বশীলতা বেড়ে যায়। মানুষের আচার-আচরণ চিন্তাভাবনা জীবনযাপন আরো সমৃদ্ধি পায় বিয়ের মাধ্যমে। এছাড়াও বিয়ে আমাদের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা দেয় সুখে-দুখে সঙ্গী পাওয়া যায় পরস্পরিক সহযোগিতায় ও মানুষকে বিশ্বাসের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। তাই বিয়ে সামাজিক জিবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। 

ইসলামিক ও সামাজিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ে মানব জীবনের জন্য একটি অপরিহার্য অংশ। এটি একটি ব্যক্তির চারিত্রিক গঠন পারিবারিক প্রতিষ্ঠা ও সুস্থ সমাজ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে তাই আমাদের সবার উচিত বিয়ে সহজ করে দেওয়া সময় মত বিয়ের প্রতি উৎসাহ দেওয়া এবং ইসলামিক নিয়ম নীতি অনুযায়ী দ্বীনের পথে নিজের জীবনকে গড়ে তোলা। 

বিয়ের আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

বিয়ে হল মানুষের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। পবিত্র মাদ্ধমে আবদ্ধ হবার প্রধান মাধ্যম হল বিয়ে। তাই বিয়ে করার পূর্বে আমাদের কিছু মৌলিক বিষয় সম্পরকে সচেতন থাকা জরুরি। একটি সুন্দর পরিবের গঠন করতে অবশ্যই পারিবারিক মিল
গুগল-আমার-বিয়ে-কার-সাথে-হবে
বন্ধন থাকা অনেক জরুরি। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিলবন্ধন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈবাহিক সম্পর্ককে সুন্দর করতে তাই আমাদের বিয়ের আগে অনেক গুলো বিসয় খেয়াল রাখতে হয়। আজকের এই অংশটিতে আমরা সেই সম্পরকে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

একজন মুসলিম হিসেবে অবশ্যই বিয়ের আগে সর্বপ্রথম আমাদের ধর্মীয় ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে হবে। দুজনের ধর্ম বিশ্বাস ইবাদত ও নৈতিক মূল্যবোধ কেমন বা চিন্তা ভাবনা কেমন ধর্ম বিষয়ে সে সম্পর্কে অবশ্যই অবগত থাকতে হবে প্রথমেই। ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বীনদারীতে বিয়ের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড। তাই অবশ্যই নিজের জীবন সঙ্গী যেন একজন দ্বীনদার হবে এমন কাউকে বেছে নিতে হবে। এতে আমাদের পারিবারিক জীবনে পারস্পরিকতা সম্মান , ধর্মীয় চর্চা খুব সহজ হয়ে যাবে।

আমাদের জীবন সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনোই বাহ্যিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত নয় বাহ্যিক সৌন্দর্য থেকে মানুষের মনের সৌন্দর্যটাই আসল । আমাদের জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম আমাদের দেখতে হবে যে আমাদের জীবন সঙ্গীর চরিত্র কেমন কারণ একজন চরিত্রবান ব্যক্তি হলো উত্তম ব্যক্তি। মানুষের গায়ের রং না দেখে তার মন মানসিকতা কেমন তার কথাবার্তা বলার ভঙ্গিমা কেমন ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের গুরুত্ব দেয়া উচিত। 

একটি বিয়ের কখনো শুধু দুটি মানুষের মিলন নয় বরং দুইটি পরিবারের সংস্কৃতি সামাজিক মিলন। তাই অবশ্যই আমাদের জীবন সঙ্গি নির্ধারণের পূর্বে তার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী একটি বিষয়। এছাড়াও দুজনে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দিকনির্দেশনাও খেয়াল রসিক্ষাগত, বর্তমানে অনেক সময় ক্যারিয়ার নিয়ে পরিকল্পনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে সংসারে অশান্তি হয়ে থাকে তাই বিয়ের আগেই এই বিষয়গুলো আলোচনা করা ভালো।

এছাড়াও বিয়ের পূর্বে জীবন সঙ্গের আয় ব্যায় আর্থিক লক্ষ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা অনেক ভালো কারণ এই বিষয়গুলো ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে। তাছাড়াও যদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো সমস্যা থাকে তাহলে সেটি না লুকিয়ে বিয়ের আগেই খোলাখুলি ভাবে জানিয়ে দেওয়া ভালো প্রয়োজন হলে মেডিকেল চেকআপ করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হয়ে থাকবে। এছাড়াও পারিবারিক সিদ্ধান্ত কখনো ছেলে মেয়েদের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিয়ে দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই ছেলে মেয়ের মতামত নিতে হবে।

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই তা নিজস্ব অভিভাবক আলেম বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিলে সেই সিদ্ধান্তটা অনেক ভালো হয়। তাই বিয়ের পূর্বে অবশ্যই বাবা মায়ের অনুমতি ও দোয়া নিয়ে করবেন। উক্ত সকল বিষয় মেনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে আশা করা যায় ভবিষ্যতে কোন ধরনের সমস্যাতে পড়বেন না। ধৈর্য, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহ তায়ালার প্রতি ভরসাই হল সুন্দর বিবাহিত জীবনের মূল চাবিকাঠি।

বৈবাহিক সম্পর্ক ভালো রাখার উপায় 

বিবাহ জীবনের সবচেয়ে বড় একটি অধ্যায়। বিবাহিত জীবনকে সুন্দর এবং সুস্থ রাখতে হলে আমাদের অনেকগুলো ধাপ পার করতে হয়, অনেকগুলো উপায় রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে জানলে এবং মানলে আপনার বিবাহিত জীবন হবে সুন্দর সুস্থ ও পরিপূর্ণ ।  আমরা আজকের আর্টিকেলটির এই অংশে আলোচনা করব যে কি কি কাজ করলে বা কিভাবে চলাফেরা করলে  আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক সুন্দর হবে।

বৈবাহিক সম্পর্ক সুস্থ স্বাভাবিক এবং ভালো রাখার জন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পারিক বোঝাপড়া সম্মান ভালোবাসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অবশ্যই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকতে হবে। মনের কথা না লুকিয়ে শান্ত ভাবে একে অপরের সাথে শেয়ার করতে হবে। কোন বিষয়ে সমস্যা হলে দুজন মিলে সমাধান করতে হবে ভালোভাবে বুঝে শুনে একটা সিদ্ধান্তে আসতে হবে। পারস্পরিক সম্মান অনেক বড় একটি বিষয় অনেক সময় মতভেদ থাকতেই পারে কিন্তু দুজনকে দুজনের প্রতি সর্বদা সম্মান রেখে কথা বলতে হবে।

একটি সম্পর্কের মূল ভিত্তি হল বিশ্বাস যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে সম্পর্ক টিকে রাখা অনেক কঠিন একটা বিষয় তাই স্বামী স্ত্রীর উচিত সর্বদা একে অপরের প্রতি সৎ থাকা এবং একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখা। বৈবাহিক সম্পর্ক সুন্দর এবং সুস্থ রাখতে অবশ্যই শত কাজের মধ্যেও একে অপরকে সময় দিতে হবে একসাথে ঘুরতে যেতে হবে গল্প করতে হবে মাঝেমধ্যে একসাথে দুজন কিছু মুভি দেখবেন এই সকল কিছুর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং টা ভালো হবে।

শুধুমাত্র স্ত্রীর যে সংসারের সকল কাজ করবে এই ধরনের ভাবনা থেকে বিরত থাকুন মাঝেমধ্যে নিজেও স্ত্রীকে সংসারের বিভিন্ন বিষয়ে সাহায্য করুন দেখবেন দুজনার মধ্যে সম্পর্ক মধুময় হচ্ছে। আবার আপনার মধ্যে থাকতে হবে ক্ষমা ও সহনশীলতা এবং ধৈর্য কোন একটি বিষয়ে ঝামেলা হতেই পারে কিন্তু সেই ঝামেলাটা অনেক দূর পর্যন্ত না যাওয়ার আগেই দুজনে মিলে সমাধান করে ফেলবেন। দুজনে একসাথে নামাজ আদায় করবেন আল্লাহর নিকট দোয়া করবেন দেখবেন আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক অনেক সুন্দর হবে আল্লাহ তাআলা আপনাকে হেদায়েত দান করবেন।

শেষ কথাঃ গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে

গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে - আমার বিয়ে কবে হবে , আমার বিয়ে হচ্ছে না কেন এই সকল বিষয় নিয়ে আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করেছি। আপনি যদি আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ ভালোভাবে পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন যে বিয়ে নিয়ে যাবতীয় সমস্যা আজকের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমি আপনার কাছে তুলে ধরতে চেয়েছি। বিয়ে না হওয়ার বিভিন্ন কারণ এবং কি ধরনের কাজ করলে তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তা নিয়ে আজকের আর্টিকেলটিতে আমি খুব ভালোভাবে আলোচনা করেছি। আশা করা যায় আজকের আর্টিকেলটি পড়ে থাকলে আপনি খুবই উপকৃত হবেন। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল নিয়মিত আমল পালন করলে আশা করা যায়  আল্লাহ তা'আলা আপনার মনের সকল ইচ্ছা পুরন করবেন  ইনশাআল্লাহ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url